বুধবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২২

টিএসসির কাওয়ালি অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ

হামলায় লন্ডভন্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে পূর্বঘোষিত কাওয়ালি অনুষ্ঠান। এ হামলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন আয়োজকেরা।

আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ ঘটনা ঘটে। এ হামলায় ৭-৮ জন আহত হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

আয়োজকদের অভিযোগ, সকালে একটা গুঞ্জন উঠেছে টিএসসির কাওয়ালিতে হামলা হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এ প্রোগ্রাম করতে নিষেধ করেন।

পরবর্তীতে সাদ্দামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন৷

আমরা অনেককে চিনি যারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের রাজনীতি করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ছাত্রলীগের রাজনীতি করে তারা আগুন আগুন বলে অনুষ্ঠানের পেছন দিক দিয়ে হামলা করে।

হামলায় স্টেজের আসবাবপত্র, সাউন্ড সিস্টেম, চেয়ার ভেঙে ফেলা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোল্লা ফারুক আহসান বলেন, ‘ছাত্রলীগ এ হামলা করেছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যথাযথ বিচার চাই।’

৪৮ ঘণ্টার ভেতরে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় না আনলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী।

হামলার পরেই টিএসসি থেকে মিছিল বের করে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে অবস্থান করেন তারা।

এ সময় তারা ‘যে প্রক্টর হামলা করে, সে প্রক্টর চাই না’, ‘টিএসসিতে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ ছাত্রলীগের গুন্ডারা, হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

হামলা যারা ঘটিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে তদন্ত সাপেক্ষে নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং আগেকার অভ্যাস অনুযায়ী বিদ্বেষবশত আমাদেরকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

ছাত্রলীগ এ হামলার সঙ্গে জড়িত না। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা দেখেছি এ কাওয়ালি হালাল, নাকি হারাম?

কোন তরিকা অনুযায়ী হবে? ইসলামে বাদ্যযন্ত্র জায়েজ আছে কি না!

ইত্যাদি বিষয়ে আয়োজকদের মাঝে এক ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা ছিল। তাই আমরা মনে করি নিজেদের দোষ আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে।’

আপনার জন্য নির্বাচিত খবর

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here

আরও পড়ুন

যুক্ত হউন

1,000FansLike
1,000FollowersFollow
100,000SubscribersSubscribe

সর্বশেষ খবর