শনিবার, জানুয়ারি ২২, ২০২২

‘বেশ করেছি প্রেম করেছি, আপনারা মাথা ঘামাচ্ছেন কেন?’

দুই রাজমিস্ত্রির সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালির দুই গৃহবধূকে বুধবারই ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ।

পরে পুলিশি জেরায় দুই বধূ জানিয়েছেন, কেন তারা রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে ঘর ছেড়ে পালিয়েছিলেন।

বালির নিশ্চিন্দার বাসিন্দা কর্মকার পরিবারের বড় ছেলে পলাশের স্ত্রী অনন্যা আর ছোট ছেলে প্রভাতের স্ত্রী রিয়া।

গত ১৫ই ডিসেম্বর শীতের পোশাক কিনতে যাওয়ার নাম করে দুই বধূই ঘর ছেড়েছিলেন।

বুধবার আসানসোলে মুম্বাই মেল থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।

সেই সঙ্গে অপহরণ-সহ নানা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় শেখর-শুভজিৎ নামে ওই দুই বধূর দুই প্রেমিককে।

মুর্শিদাবাদের ওই দুই বাসিন্দা পেশায় রাজমিস্ত্রি।
আসানসোলে সকালে যখন মুম্বাই মেল থামে, সেই সময় তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, ট্রেনের কামরায় পুলিশ দেখে প্রথমে হকচকিয়ে যান চারজন।

এর পর পুলিশ তাদের প্রাথমিকভাবে আটক করতেই ফুঁসে ওঠেন কর্মকার পরিবারের বড় বউ অনন্যা।

ট্রেনেই পুলিশকে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আমি শেখরকে ভালবাসি। আপনাদের কে মাথা ঘামাতে বলেছে?

ট্রেনে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেয়ার পর তারা পুলিশকে জানায়, আমরা স্বেচ্ছায় চলে গিয়েছিলাম। কেউ জোর করে নিয়ে যায়নি।
রিয়ার স্বামী প্রভাত দীর্ঘ দিন বাড়িতে ছিলেন না।

কর্মসূত্রে তিনি ছিলেন দুবাইতে। ছেলে আয়ুষের যখন বছর দুয়েক বয়স, তখন তিনি বিদেশে যান।

বছর পাঁচেক দুবাইতে কাটানোর পর কয়েক মাস আগে তিনি ফিরে আসেন।

স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্বের জেরেই সম্পর্কের টানাপড়েন।

অনন্যা এবং রিয়ার ঘর ছাড়ার উদ্দেশ্য ছিল শেখর এবং শুভজিতের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করা।

নিজেদের পছন্দমতো বিয়ে করে সংসার পাতবেন। কিন্তু মুর্শিদাবাদে শেখর এবং শুভজিতের বাড়ির লোকজন সেই বিয়েতে আপত্তি জানান।

অনন্যা এবং রিয়া বিবাহিত হওয়ায় শেখর এবং শুভজিতের পরিবার মেনে নেয়নি।

তাই তারা চার জন মিলে মুম্বাইয়ে এক পরিচিতের কাছে যান।

তবে টাকাপয়সা শেষ হয়ে যাওয়ায় ফের বালিতে ফিরে আসেন তারা।

আপনার জন্য নির্বাচিত খবর

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here

আরও পড়ুন

যুক্ত হউন

1,000FansLike
1,000FollowersFollow
100,000SubscribersSubscribe

সর্বশেষ খবর