মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২

দেশে লকডাউন জারির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন মোকাবিলায় সম্ভব সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় শহরের হাসপাতালসহ রাজধানীর হাসপাতাল ও আইসিও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দেশে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যে লকডাউনে যেতে হবে।

আজ রোববার সাভারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্টের নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব কথা বলেন।

প্রবাসীদের, বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোতে যারা অবস্থান করছেন তাঁদের আপাতত দেশে না ফেরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা আসবেন তাঁদের ৪৮ ঘণ্টা আগে পরীক্ষা করে আসতে হবে।

দেশে ফেরার পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

এ জন্য রাজধানীর বেশ কিছু হাসপাতালকে কোয়ারেন্টিন সেন্টার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশ থেকে আগতরা নিজ খরচে ১৪দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে পারেন।

মন্ত্রী বলেন, ওমিক্রনকে প্রতিরোধ করতে হলে টিকা নিতে হবে। এ জন্য টিকা কর্মসূচি বেগবান করা হয়েছে।

প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ৭ কোটি আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ কোটি।

এ ছাড়া ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। জনবল বাড়ানোর জন্য সারে ৮ হাজার নার্স ও ৪ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ওমিক্রন ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করা হবে কি-না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

দেশ ভালো আছে, নিরাপদে আছে। তবে সীমান্তে পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে।

পাশাপাশি বিমান বন্দরের ল্যাব বড় করা হয়েছে। আগে ২ হাজার বর্গফুটের ল্যাব ছিল। এখন ৩০ হাজারের বেশি বড় বর্গফুটের ল্যাব করা হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা থেকে নিরাপদে থাকতে হলে টিকার পাশাপাশি মাস্ক পড়তে হবে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দেশে এখন করোনায় প্রতিদিন এক থেকে দুজন করে মৃত্যুর খবর পাচ্ছি।

এই অবস্থায় থাকলে বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার শূন্যে নেমে আসবে।

মন্ত্রীর পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মাদ খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জেষ্ঠ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গণি, সাভারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সায়েমুল হুদা।

আপনার জন্য নির্বাচিত খবর

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here

আরও পড়ুন

যুক্ত হউন

1,000FansLike
1,000FollowersFollow
100,000SubscribersSubscribe

সর্বশেষ খবর