মঙ্গলবার, মে ১৭, ২০২২

আদরের ‘রাক্ষসের’ জন্মদিনে ভক্তদের রক্তদান শিবির

সেলিব্রেটিদের ফ্যান থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এই ষাঁড় কোনো অংশেই সেলিব্রেটির কম নয়।

তাই ‘ভক্ত’রা তার জন্মদিনে আয়োজন করেছে রক্তদান শিবিরের। রাক্ষসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমগ্র গ্রাম ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুনে।

শুধু তাই নয়, প্রিয় ষাঁড় ‘রাক্ষসের’ ষষ্ঠ জন্মদিনে কাটা হয়েছে কেক। রাক্ষসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসা অন্তত শতাধিক মানুষকে পেটপুরে খাওয়ানো হয়েছে।

গ্রামে রাক্ষসের জনপ্রিয়তা এত বেশি যে, গ্রামবাসীরা আনন্দের সঙ্গে ওই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেন।

বীরপুর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে ওই রক্তদান শিবির থেকে ৪৪ ব্যাগ রক্ত জমা পড়েছে।

বিশেষ এই দিনে রাক্ষসকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমগ্র গ্রাম ও মহাসড়কের পাশে ব্যানারে ছেড়ে গেছে। এছাড়া রাক্ষসকে সাজানো হয়েছে রঙিন পোশাকে।

শনিবার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্নাটকের হাভেরি জেলার কেরিমাটিহল্লি গ্রামের সবার নয়নের মনি রাক্ষস।

ওই অঞ্চলের গ্রামগুলোতে ষাঁড়ের খেলা জনপ্রিয়। এ পর্যন্ত রাক্ষস যতগুলো খেলায় অংশ নিয়েছে, প্রত্যেকটাতেই ছিনিয়ে নিয়েছে বিজয় মুকুট।

কেরিমাটিহল্লি গ্রামের রাক্ষসই একমাত্র ষাঁড়, যে বিভিন্ন খেলায় অংশ নেয়। তাই রাক্ষস গ্রামবাসীদের গর্ব।

বাছুর অবস্থায় ছয় বন্ধু মিলে এক লাখ রুপি দিয়ে রাক্ষসকে কেনেন। ওই ছয় বন্ধু বাছুরটির অনেক যত্ন করেন।

যাদের কাছ থেকে তারা বাছুরটিকে কিনেছিলেন এক বছর পর তারাই সাত লাখ টাকা দিয়ে রাক্ষসকে কিনে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওই ছয় বন্ধু বিক্রি করতে রাজি হননি।

রাক্ষস এ পর্যন্ত ৫৬টি খেলায় অংশ নিয়েছে। দূরদূরান্তেও রাক্ষসের ভক্ত আছে। এ পর্যন্ত রাক্ষস সোনার কয়েন, ছয়টি মোটর সাইকেল, রেফ্রিজারেটর, কৃষি উপকরণসহ বিভিন্ন জিনিস পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে।

বিভিন্ন খেলায় অংশ গ্রহণ ছাড়া অবশ্য রাক্ষসের আর কোনো কাজ নেই। তবে বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয়।

শরীরের গড়ন ঠিক রাখতে রাক্ষসকে নিয়মিত ম্যাসাজ দেওয়া ও গোসল করানো হয়।

পশু চিকিৎসককে ডেকে নিয়মিত রাক্ষসের স্বাস্থ্যও পরীক্ষা করা হয়। ছয় বন্ধু মিলেই রাক্ষসের দেখভাল করেন।

আপনার জন্য নির্বাচিত খবর

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here

আরও পড়ুন

যুক্ত হউন

1,000FansLike
1,000FollowersFollow
100,000SubscribersSubscribe

সর্বশেষ খবর