পরিচয় পাওয়া গেছে সেই পথচারী নারীর, যার কথায় মসজিদে ঢুকেননি তামিমরা

বড় ধরনের বিপদ থেকে অল্পের জন্য রেহাই পেয়েছে দেশের ক্রিকেট। নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ দল শুক্রবার (১৫ মার্চ) জুমার নামাজ আদায়ের জন্য ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালের আল নূর মসজিদে যাচ্ছিলেন। তখনই ঐ মসজিদে অতর্কিত বন্দুক হামলা চালানো হয়।

টিম হোটেল থেকে বাসে করে মসজিদের পাশে যাওয়ার পর বাস থেকে নেমে মসজিদের দিকে হাঁটছিলেন তামিম ইকবাল, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজরা। তাঁদের সাথে ছিলেন আরেক ক্রিকেটার সৌম্য সরকার, ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ন ও কম্পিউটার অ্যান্যালিস্ট শ্রীনিবাস এবং কয়েকজন সাংবাদিক।

মসজিদের কাছে পৌঁছাতেই তামিমদের হামলার ব্যাপারে অবহিত করেন এক পথচারী। মূলত তিনিই তামিমদের বড় বিপদ থেকে উদ্ধার করতে সহায়তা করেন। কেননা তার এই নির্দেশনা না পেলে মসজিদের কাছাকাছি থাকা তামিমরা মসজিদের ভেতরেই প্রবেশ করে ফেলতেন!

যে পথচারী নারী তামিমদের বন্দুক হামলার কথা উল্লেখপূর্বক মসজিদে ঢুকতে বারণ করেছিলেন তিনি ওইখানের স্থানীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে একাধিক গণমাধ্যমের সংবাদে। সতর্কবার্তা পেয়ে তামিম-মিরাজরা ঘুরে যান এবং টিম বাসে করে টিম হোটেলে ফিরে আসেন।

দুই বছর ধরে পরিকল্পনা, প্রতিশোধ নিতেই হামলা চালিয়েছেন ব্রেনটন

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের সময় অনুযায়ী দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। প্রথমে ৬ মুসল্লির মৃত্যুর কথা বলা হলেও সেই সংখ্যা ইতোমধ্যে ২৭ ছাড়িয়েছে। হামলার সময় একাধিক অস্ত্রধারী সক্রিয় ছিল। তাদের মধ্যে একজন হামলার সময় সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছিল, যে বীভৎস ভিডিও ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। একজন অস্ত্রধারীকে আটকও করা হয়েছে।

হামলার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

শনিবার (১৬ মার্চ) ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালেই স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড ও সফরকারী বাংলাদেশের মধ্যকার তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা ছিল। ঐ ম্যাচের জন্যই টাইগাররা সেখানে অবস্থান করছিলেন। তবে ভয়ানক এই হামলার পর ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট বাতিল করা হয়েছে, যে সিদ্ধান্ত এসেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যৌথ মতের ভিত্তিতে।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

shares