পপকর্ণের উপকারীতা ও রেসিপি

পপকর্ন জনপ্রিয় খাবারগুলোর একটি যা ছোট-বড় সবার প্রিয়। পপকর্ণ শুধু সুস্বাদু নয়, দারুণ উপকারীও বটে।

★★★ পপকর্ণ হলো সুগার ফ্রি, ফ্যাট ফ্রি এবং কম ক্যালরির খাবার। ছোট এক কাপ পপকর্নে মাত্র ৩০ ক্যালরি আছে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে পপকর্ন হতে পারে আদর্শ নাস্তা।

★★★ কর্ণে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে।

★★★ কর্ণে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন বি১২ বর্তমান, যা নতুন রক্তকোষ তৈরি করতে সাহায্য করে। এতে রক্তাল্পতা দূর হয়।

★★★ পপকর্নে আছে প্রচুর পলিফেনল অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ফ্রি রেডিক্যালের নেতিবাচক প্রভাবগুলো কমিয়ে দিয়ে ক্যানসার, হার্টের অসুখ, অন্ধত্ব, মাংসপেশির দুর্বলতা, আলঝেইমার, চুল পড়া ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি কমায়।

★★★ পপকর্নে আছে প্রচুর ফাইবার, মিনারেল, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, বি কমপ্লেক্স ভিটামিন এবং ভিটামিন ই। প্রচুর ফাইবার থাকায় পপকর্ন খেলে পাচক রস নির্গত হওয়ায় হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।

★★★ ফাইবার যুক্ত খাবার রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। সঠিক পরিমাণে পপকর্ণ খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। ডায়াবেটিক রোগীরা বিকেলের নাস্তায় ছোট এক কাপ পপকর্ন খেতে পারেন।

*** বাইরের ফ্লেভার্ড পপকর্ন, অতিরিক্ত লবণ, চিনিযুক্ত কিংবা বাটার দেয়া পপকর্ন শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। এগুলোতে থাকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং বাড়তি ক্যালরি। তাই বাড়িতেই পপকর্ণ তৈরি করে নেওয়ায় ভালো।

পপকর্ণ তৈরির পদ্ধতি:

উপকরণ:
পপকর্ণ আধা কাপ
অলিভ ওয়েল এক টেবিল চামচ (যেকোন ভোজ্য তেল)
লবণ, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ কর

প্রস্তুত প্রনালী:
চুলা মাঝারি আঁচে জ্বালিয়ে বড় একটি গভীর পাত্রে তেল, পপকর্ণ, লবণ, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো দিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে দিতে হবে। কিছুক্ষণ পরেই ভুট্টার দানা ফুটে পপকর্ন হওয়ার শব্দ হবে। পপকর্ন হওয়া শুরু হলে প্রতি ৩০ সেকেন্ড পরপর পাত্র ঝাঁকিয়ে নিন। পপকর্ণ ঠিকমতো হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

shares