ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের সুফল পাচ্ছেন না গ্রাহক

পুরোপুরি সুফল মিলছে না ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের। শুধু স্টিলের শিটে ডিজিটাল নম্বর খোদাই এবং গাড়ির গ্লাসে আরএফআইডি স্টিকার লাগিয়েই দায়িত্ব শেষ করেছে বিআরটিএ। অথচ আনুসাঙ্গিক প্রযুক্তির বাস্তবায়ন হয়নি ছয় বছরেও। অসন্তুষ্ট গাড়ি মালিকদের অভিযোগ, এই প্রযুক্তি থেকে টাকা ও সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই মেলেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষ জনবল না থাকায় প্রকল্পটি সফলতার মুখ দেখেনি।

যানবাহনে ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি স্টিকার ব্যবহার কার্যকর করা হয় ২০১২ সালে। গাড়ির নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও আধুনিকায়ন, অপরাধ দমন এবং গ্রাহক সেবার মান বাড়াতে এই উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআরটিএ।

ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও স্টিকার বিতরণে গ্রাহক পর্যায়ে বাহনভেদে ৪ হাজার ৬২৮ টাকা ও ২ হাজার ২৬০ টাকা করে আদায় করছে বিআরটিএ। এই হিসাবে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৬ লাখ গাড়ির মালিকের পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।

এদিকে, পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে এর কোন সংযুক্তি না থাকায় গাড়ি চুরি প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।

গাড়ি শনাক্তকরণ, টোল আদায়, যানজট এড়ানো, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল ডিজিটাল নাম্বার প্লেটের মাধ্যমে।

ডিজিটাল নম্বর প্লেট সনাক্ত করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আরএফআইডি স্টেশন ও টাওয়ার না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বিআরটিএ বলছে, শিগগির নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবার মান বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে।

কবে নাগাদ ডিজিটাল নম্বর প্লেটের সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেননি বিআরটিএ।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

shares