৭ গোছানো কাজে কাটুক ছুটির দিনটা

পুরো সপ্তাহ অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ছুটির দিনটা যেন দৈনন্দিন রুটিনে ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে ধরা দেয়। সে দিনটা থাকি আমরা একদম মুক্ত বিহঙ্গের মতো, যার কি-না কোথাও হারিয়ে যাবার নেই মানা!

এ দিনে ঘরের জমিয়ে রাখা সব কাজ করেন কেউ কেউ। আবার কেউ বিনা নোটিশেই উড়াল দেন দূরে কোথাও। কেউ আবার ঘরের দরজা বন্ধ করে হালকা নাস্তা নিয়ে মুভি দেখতে বসে যান। অর্থাৎ ছুটির দিনটা সবাই নিজের পছন্দের ও প্রয়োজনীয় কাজে কাটাতে পছন্দ করেন। তবে কারও কারও অলসতার কারণে মাটি হয়ে যায় ছুটির দিনের আমেজটা।

কীভাবে আসলে কাটানো যেতে পারে একটি সুন্দর ছুটির দিন? এমনই সাতটি উপায়।

বই পড়ুন
পছন্দের বইয়ের তালিকা আছে নিশ্চয়ই! কাজের চাপে হয়তো বইয়ের তাকে জমে থাকা ঝুল পরিষ্কার করতে পারছেন না। ছুটির দিনটাই সুযোগ। এই দিনকে কাজে লাগিয়ে বইয়ের তাকের ধুলো-ময়লা ঝেড়ে পরিষ্কার করে ফেলুন এবং প্রিয় বই নিয়ে বসে যান।

রান্না করুন
পছন্দের রেসিপি হয়তো অনেকদিন ধরেই টুকে রেখেছেন নোটবুকে, কিংবা সেভ করে রেখেছেন নিজস্ব গ্যাজেটে। প্রয়োজনীয় সদাইপাতি করে আজই না হয় রান্নায় লেগে পড়ুন। নিজের প্রিয় খাবারটাও খাওয়া হলো, আবার পরিবারকেও ছোটখাটো একটা ‘ট্রিট’ দেওয়া হলো।

পরিবারকে সময় দিন
সপ্তাহজুড়ে আমরা কাজে এতো ব্যস্ত থাকি যে, পরিবার ও প্রিয়জনকে কোনোভাবেই সময় দেওয়া হয় না। ছুটির দিনটাতে ঘরোয়া কোনো আড্ডা কিংবা খেলায় মগ্ন হয়ে যেতে পারেন। সবাই মিলে বাইরে কোথাও গিয়ে খেয়ে আসতে পারেন।

ছবি আঁকুন
শেষ কবে রং-তুলি হাতে তুলেছেন, মনে পড়ে? ছুটির দিনে ভোরে কিংবা স্নিগ্ধ বিকেলে বসে পড়ুন ক্যানভাস এবং রং-তুলি নিয়ে। মনের মাধুরী মিশিয়ে আঁচড় কাটুন ক্যানভাসে। অনিন্দ্য কোনো সৃষ্টিকর্ম গড়ে তুলুন।

কেনাকাটা করুন
সপ্তাহের দরকারি যেকোনো জিনিস আজই তালিকা করে কিনে ফেলুন। তাহলে সারাদিন কষ্ট করে অফিস শেষ করে বাজারে দৌড়াতে হবে না। চাইলে রান্না করে ছোট ছোট অংশ রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে পারেন। কিছুদিন অন্তত আরামে কাটবে।

দূরে ঘুরতে যান
মনে মনে কি আপনি একজন ট্রাভেলার? ভ্রমণ আপনার রক্তে মিশে আছে? তাহলে বাক্স-পেটরা গুছিয়ে ধারে-কাছে কোনো জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। মন তো চনমনে হবেই, প্রিয় মানুষ কিংবা পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।

সামনের সপ্তাহের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাখুন
পরবর্তী এক সপ্তাহ কী কী কাজ করবেন, সেটি ছুটির দিনেই ঠিক করে রাখুন। সবকিছু সুন্দর মতো পরিকল্পনা করে রাখলে পরে কোনো কাজই প্রেসার বলে মনে হবে না আপনার। স্বস্তিতে কাজ করতে পারবেন।

সর্বোপরি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থেকে উপরোক্ত কাজগুলো সম্পাদন করার চেষ্টা করুন। ফুরফুরে মেজাজে সময় কাটিয়ে আবারও পরিপূর্ণ উদ্যমে কাজে ফিরতে পারবেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *