সুখ নয়, নারীকে সুস্থতাও উপহার দেয় অর্গ্যাজম

ঠিক কোন মুহূর্তে ঘটনাটি ঘটে যাবে, কেউ বলতে পারে না। কিন্তু যখন যৌনতা এই চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, শরীরে নেমে আসে অনাবিল সুখের অনুভূতি।

একেই বলে অর্গ্যাজম। শরীরী মিলনের যে পর্যায়ে পৌঁছাবার গোপন আকাঙ্খা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রায় সকলের মধ্যেই থাকে।

তবে নারী শরীরে যৌনতার চাহিদা আলাদা, তাই এর ফলও আলাদা। তৃপ্ত নারী শরীরের সুখের প্রভাব প্রতিফলিত হয় তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। যেমন –

১) ‘পারফেক্ট অর্গ্যাজম’-এর ফলে নারীদের শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’ নির্গত হয়। যার ফলে সারাদিন মনে তৃপ্তির অনুভুতি থাকে। শরীরও চাঙ্গা থাকে।

২) প্রতিদিন একবার করে ‘অর্গ্যাজম’ নারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে ছোটখাটো রোগ-ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৩) রাতে যাদের ঘুম আসে না, তাদের ক্ষেত্রে ‘অর্গ্যাজম’ ঘুমের ওষুধের চাইতেও বেশি কার্যকরী। শরীরে সুখের অনুভূতি থাকলেই তো চোখ দু’টি জুড়িয়ে আসবে!

৪) জানা গেছে, ‘অর্গ্যাজম’-এর পর অক্সিটোসিন নামে যে হরমোন নির্গত হয়, তা স্তন ক্যানসারের কোশগুলিকে টিউমারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।

৫) নারীদের ঋতুশ্রাবের বেদনানাশক হিসেবেও নাকি কাজ করে ‘অর্গ্যাজম’। নিয়মিত ‘অর্গ্যাজম’ করলে মাসের নির্দিষ্ট দিনগুলিতে নারীরা সেই ব্যাথা থেকে রেহাই পেতে পারেন।

আর সবশেষে বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে আরও একটি বাড়তি পাওনার কথা বলে রাখা ভাল। নারীদের ক্রমবর্দ্ধমান সৌন্দর্যের নেপথ্যেও অন্যতম কারণ অর্গ্যাজম।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *