শুভাশিষকে বাঁচাতে মাশরাফির লাইভ

যে শুভাশিষ মাঠে তেড়ে এসেছিল, তাকে বাঁচাতে ফেসবুক লাইভে আসলেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

হোটেল রুমে লাইভে তিনি সব দায় নিজের কাঁধে তুলে নেন। সমর্থকদের তিনি এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করার অনুরোধ জানান।

মাশরাফি বলেন, ‘প্রথমে জেতার জন্য চিটাগাং ভাইকিংসকে অভিনন্দন।’ ‘যে কারনে ভিডিওটা করা, কারণ মনে হচ্ছে মানষের কাছে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। শুভাশিষও বাংলাদেশের হয়ে খেলে, তারও ভালোবাসা প্রাপ্য। আমি প্রেস কনফারেন্সেও বলে এসেছি আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে আমার ওইভাবে রিয়েক্ট করা উচিত হয়নি। কারণ শুরুটা আমার থেকেই হয়েছে। সে হয়তবা বলটা ধরে থ্রু করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি যদি ওইভাবে রিএকশনটা না দিতাম তাহলে সে চলে যেত। আশা করছি আপনারা জিনিসটা বুঝতে পারবেন। আমার মনে হয় মাঠের ব্যাপার মাঠেই রাখা উচিত।’

‘এমন না যে সে কোথা থেকে আসছে এবং খেলছে। সে প্রমিজিং প্লেয়ার, সে অনেক লড়াই করে যুদ্ধ করে বাংলাদেশের হয়ে খেলছে। একই সময় যা আমিও খেলছি। আমি মনে করি আমি যতটুকু সম্মান, শ্রদ্ধা পাই তারও ততটুকু প্রাপ্য। মাঠে যেটা হয়েছে এটা হয়েই থাকে। কেন আমরা এটা স্বাভাবিকভাবেই নিতে পারছি না, আমি জানি না।’

‘আমি তার কাছে ক্ষমা চাই কারণ ও আমার ছোট ভাই। আমার তাকে ওইভাবে বলা উচিত হয়নি। কাজেই আপনারা এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করে এটা এখানেই শেষ করেন।’

কাছাকাছি সময়ে শুভাশিসের ফেসবুক থেকে লাইভে আসেন তাসকিন আহমেদ। মাশরাফিও ছিলেন সেখানে। শুভাশিসকে পেছনে রেখে হাসিমুখেই সমর্থকদের ঘটনা ভুলে যেতে বললেন তারা। এই লাইভেই মাশরাফিকে ‘সরি ভাই, সরি ভাই’ বলেন শুভাশিস।

চিটাগাং ভাইকিংসের ১৬৬ রান তাড়ায় ১৭তম ওভারে ব্যাট করছিলেন রংপুর রাইডার্সের মাশরাফি। চিটাগাং ভাইকিংসের পেসার শুভাশিস রায়ের ইয়র্কর লেন্থের বলটা ঠেকিয়েছিলেন মাশরাফি। বল ধরে তেড়েফুঁড়ে স্টাম্পে ছোঁড়ে মারার ভঙ্গি করেন শুভাসিশ। মাশরাফি তাকে বোলিং প্রান্তে ফেরার ইঙ্গিত করতেই রেগেমেগে তেড়ে আসেন।

ফিল্ডার আম্পায়াররা এসে তাকে সরিয়েছেন। তখনো চলছিল শুভাশিসের গর্জন।এমন দৃশ্যে তখন হতবাক হন সবাই।

এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুভাশিষের বিরুদ্ধে তুতুল সমালোচনা শুরু হয়। তাকে সমর্থকদের গারাগাল থেকে রক্ষা করতেই মূলত মাশরাফির লাইভে আগমন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *