লাইফ-স্টাইল

শীতে টবে ফুলের চাষ

শীতকাল মানেই নানারকম রকম ফুলের সমাহার। এমন অনেক ফুলআছে যা শুধুমাত্র শীতের সময় ফোটে। তাই অনেকেই শীতে বাড়িতে নানা রঙের সমাহার আনতে বিভিন্ন ফহুলের চাষ করে থাকে। তবে যারা গ্রামের বাস করেন তাদের অনেকে বাড়ি সামনে উঠোনে কিংবা রাস্তার ধারে ফুলগাছের চাষ করে থাকেন। তবে শহুরে জীবনে এক্ষেত্রে টবই একমাত্র ভরসা। অথবা বাড়ির বারান্দায়।

তবে টবে কীভাবে গাছ লাগালে গাছ ভালো থাকে এবং ফুল ভালো থাকে বেশি দিন। আসুন আজ আমরা জেনে নেই কিভাবে টবে গাছ লাগালে গাছা ও ফুল দুটুই ভালো থাকে।

শীতের ফুলের মধ্যে গাদা, ডালিয়া ও চন্দ্রমল্লিকা অন্যতম। এছাড়া কসমস, পপি, গাজানিয়া, স্যালভিয়া, ডায়ান্থাস, ক্যালেন্ডুলা, পিটুনিয়া, ডেইজি, ভারবেনা, হেলিক্রিসাম, অ্যান্টিরিনাম, ন্যাস্টারশিয়াম, লুপিন, কারনেশন, প্যানজি, অ্যাস্টার ইত্যাদি ফুল ফোটে।

শীতের ফুল লাগানোর জন্য ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টব যথেষ্ট। ছোট আকৃতির গাছ যেমন ডায়ান্থাস, গাঁদা, পিটুনিয়া, গাজানিয়া ইত্যাদি ছোট টবে লাগানো যেতে পারে। তবে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা এগুলো ১০-১২ ইঞ্চি টবে লাগানো যায়।

প্রতি টবের জন্য দোআঁশ মাটির সঙ্গে তিন ভাগের এক ভাগ পরিমাণ জৈব সার বা পচা গোবর মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হবে। এর সঙ্গে একমুঠো হাড়ের গুঁড়ো, দুই চা-চামচ চুন, দু মুঠো ছাই মেশাতে পারলে ভালো হয়। এতে টবের মাটি দীর্ঘদিন উর্বর থাকবে।

মৌসুমি ফুলের ক্ষেত্রে মাসখানেক বয়সের ফুলের চারা টবে রোপণ করা উচিত। অন্য চারার বেলায় অল্পবয়সী ভালো ও তরতাজা, গাট্টাগোট্টা দেখে চারা বা কলম লাগানো ভালো।

চারা লাগানোর পর আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গোড়ার মাটি শক্ত করে দিতে হবে। গাছে পানি দেয়ার সময় শুধু গাছের গোড়ায় পানি না দিয়ে ঝাঁঝরি দিয়ে গাছের ওপর থেকে বৃষ্টির মতো গাছ-পাতা ভিজিয়ে নিয়মিত হালকা পানি দেয়া ভালো। এতে গাছ বেশি সতেজ থাকে।

গাছকে খাড়া রাখার জন্য অবলম্বনের প্রয়োজন হয়। গাছের চারা অবস্থা থেকেই এ ব্যবস্থা করতে হয়। এ কাজে বাঁশের কঞ্চি বা স্টিক ব্যবহার করা যেতে পারে।

টবে গাছের গোড়ার মাটি একেবারে গুঁড়ো না করে চাকা চাকা করে খুঁচে দেওয়া ভালো। এক্ষেত্রে মাটি খোঁচানোর গভীরতা হবে ৩-১০ সেন্টিমিটার বা ১ থেকে ৪ ইঞ্চি। এ কাজটি প্রতি ১০ দিনে একবার করে করতে হবে।

কুঁড়ি আসার লক্ষণ প্রকাশ পেলে ৫০ গ্রাম টিএসপি (কালো সার), ১০০ গ্রাম ইউরিয়া (সাদা সার) ও ২৫ গ্রাম এমওপি (লাল সার) একসঙ্গে মিশিয়ে প্রতি গাছে এক চা-চামচ করে ১০ দিন অন্তর দিতে হবে। তবে এক মৌসুমে এই রাসায়নিক সার তিনবারের বেশি দেওয়ার দরকার নেই। তবে রাসায়নিক সার ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সার কোনোক্রমেই শিকড়ের ওপর না পড়ে।

বেশি দিন ধরে ফুল ফোটাতে চাইলে গাছে কখনো ফুল শুকাতে দিতে নেই। ফুল শুকানো শুরু হলেই ফুল কেটে দিতে হয়। এতে ভালো ফুল পাওয়া যায়।

ঢাকায় আগারগাঁওয়ে রোকেয়া সরণিতে, বনানী, শেখেরটেক রিং রোড, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলসহ বিভিন্ন স্থানে শীতকালীন ফুলের চারা পাওয়া যায়।

সূত্র: ওএস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

11 Replies to “শীতে টবে ফুলের চাষ

  1. 229181 780714I just need to let you know which you have written an exceptional and exclusive post that I really enjoyed reading. Im fascinated by how well you laid out your material and presented your views. Thank you. 856909

  2. 59108 71288Spot lets start on this write-up, I seriously believe this amazing website requirements a lot more consideration. Ill more likely once again to read a fantastic deal more, many thanks that information. 524861

  3. 359537 794308Excellently written article, doubts all bloggers offered the same content material because you, the internet is actually a greater location. Please keep it up! 783036

  4. 222722 801249I discovered your blog website internet website on the internet and appearance some of your early posts. Continue to maintain inside the wonderful operate. I just now additional increase your Rss to my MSN News Reader. Seeking toward reading far more from you obtaining out at a later date! 959372

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *