মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয় যে খাবারগুলো

আপনি কি দুঃখ, সুখ বা রাগ বোধ করছেন? আপনি কি জানেন কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার মুড ভালো করে দিতে পারে? খাবার এবং সুখ আসলে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। এই খাবারগুলো শুধু আপনার মুডই ভালো করবে না। বরং আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও কাজ করবে। এগুলোতে আছ প্রচুর পরিমাণে এমন সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান যেগুলো মস্তিষ্কে সুখানুভূতির হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। একটি প্রবাদ আছে না, ‘আপনি তাই যা আপনি খান’; কথাটি আসলেই সত্যি। আপনাকে কুঁড়ে, ক্লান্ত এবং অবসাদগগ্রস্ত করে দেওয়ার মতো খাবার যেমন আছে তেমনি আপনাকে হালকা এবং শক্তিমান অনুভূতি এনে দেওয়ারও খাবার আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোনো খাবারগুলো খেলে আপনি তাৎক্ষণিকভাবেই সুখ অনুভব করবেন।

১. আখরোট
এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রোটিন এবং সেলেনিয়ামে সমৃদ্ধ। যাতে আছে মুড বা মেজাজ-মর্জি ভালো করে দেয়ার মতো উপাদানও। এছাড়া এতে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক অবসাদ দূর করে।

২. হলুদ
এটি এর প্রদাহরোধী উপাদানের জন্য সুপরিচিত।

এতে আছে কার্কিউমিন নামের একটি উপাদান যা মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এবং মেজাজ-মর্জি ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

৩. ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ মাছ
স্যামন মাছের মতো মাছে এই পুষ্টি উপাদানটি বেশি পাওয়া যায়। যা মুড ভালো রাখতে এবং মানসিক অবসাদ দূর করতে বেশ কার্যকর।

৪. কুইনোয়া
কুইনোয়াতে কুয়ারসেটিন নামের যে ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায় তাতে আছে অবসাদরোধী উপাদান। এটি একটি জটিল কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাদ্য যা আপনার মুড ভালো করে দিবে নিমেষেই।

৫. ডার্ক চকোলেট
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস এই চকোলেট। যা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল কমাতে সহায়ক। এতে পলিফেনোলস নামের একটি রাসায়নিক আছে যা মুহূর্তেই মুড ভালো করে দেয়।

৬. বেরি
মেজাজ-মর্জি ভালো করার ওষুধ ভ্যালোপোরিক এসিড এর মতোই একটি রাসায়নিক আছে ব্লুবেরি, র‌্যাসপবেরি এবং স্ট্রবেরিতে। এছাড়া এতে আছে দুটো ফ্ল্যাভোনয়েড- অ্যান্থোসায়ানিডিন এবং অ্যান্থোসায়ানিন। যা প্রদাহ, মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেস কমাতে সহায়ক।

৭. কলা
সুখে থাকার জন্য কলা খাওয়া একটি সেরা পদ্ধতি। কারণ এতে আছে উচ্চহারে ট্রিপটোফেন যা সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়িয়ে সুখানুভূতিও বাড়ায়। এছাড়া এটি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ যা তাৎক্ষণিকভাবেই আপনার মুড ভালো করবে এবং শক্তির যোগান দেবে।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *