লাইফ-স্টাইল

বিয়ার, ডিম এবং কলা চুলে দিলেই ম্যাজিক!

মূলত পানীয় হিসাবেই বিয়ারের পরিচিতি। বিয়ারের মধ্যে অ্যালকোহলের মাত্রা খুব একটা বেশি থাকে না। তাই নিরাপদ নেশার পানীয় হিসাবে যথেষ্টই কদর বিয়ারের। এই মুহূর্তে বিশ্বের তৃতীয় জনপ্রিয় পানীয়র নামও বিয়ার। এই পানীয়ের আগে রয়েছে পানি এবং চা। মূলত মল্টকে পচিয়ে বিয়ার তৈরি করা হয়। বর্তমান দিনে চাল থেকে শুরু করে ভুট্টা, গম থেকেও বিয়ার তৈরি করা হচ্ছে। বিয়ার সম্পূর্ণভাবেই ৯০ শতাংশ অর্গ্যানিক প্রোডাক্ট। এতে কেমিক্যাল বা সিন্থেটিক কেমিক্যালের ব্যবহার অত্যন্ত কম। বিয়ারের এই অর্গ্যানিক গুণাবলিই তাকে জনপ্রিয় করেছে। অর্গ্যানিক গুণের জন্য পানীয়র বাইরেও বিয়ারের বহুল ব্যবহার রয়েছে।

বিশেষ করে চুলের যত্ন নেওয়ায় এবং ফেসিয়াল ট্রিটমেন্টের ক্ষেত্রে বিয়ারের গুরুত্ব মারাত্মক রকমের। বলা হচ্ছে, এই বিয়ারের সঙ্গে যদি কাঁচা ডিমের কুসুম, মধু ও কলা মিশিয়ে নিয়ে মাথায় মাখা যায়, তা হলে তা চুলের পক্ষে অত্যন্ত ভালো। বিশেষ করে যাদের ঘন ঘন চুল ওঠে যাচ্ছে বা অকালে মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে, তারা বিয়ারের মিশ্রণকে শ্যাম্পুর মতো ব্যবহার করে চুলের ঝরে পড়া অনেকটা পরিমাণে রোধ করতে পারেন।

চুলের সমস্যায় ভোগা ৯৫ শতাংশ মানুষেরই পেটের সমস্যা রয়েছে। এছা়ড়াও রয়েছে খুসকির সমস্যা। তাই সপ্তাহে অন্তত দু’দিন যদি বিয়ারের সঙ্গে কাঁচা ডিমের কুসুম মিশিয়ে, মধু দিয়ে এবং কলা মেখে চুলের গোড়ায় লাগানো যায়, তাহলে চুল ঝরে পড়া যেমন কমে যায়, তেমনি দূর হয় খুসকি। মহিলা এবং পুরুষ- যারা চুলের সমস্যায় ভুগছেন তারা এই বিয়ারের মিশ্রণ মাথায় লাগিয়ে দেখতে পারেন।

কীভাবে বিয়ারের এই পথ্য তৈরি করবেন? জেনে নিন—

১. এক কাপ বিয়ার নিন।

২. কাঁচা ডিমের হলুদ কুসুমের অংশটুকু নিন।

৩. অর্ধেক পাকা কলা পিষে বিয়ারের মধ্যে ঢেলে দিন।

৪. ১ থেকে ২ চামচ মধু মিশিয়ে দিন বিয়ারের মধ্যে।

সমস্ত উপকরণকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এর পর চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগাতে হবে। ঘণ্টাখানেক মাথায় এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা থেকে বিয়ারের মিশ্রণটাকে ধুয়ে ফেলুন। ১ মাস এই রুটিন ফলো করলেই দেখতে পাবেন, মাথার চুল আগের থেকে অনেক সতেজ এবং ভালো দেখতে হয়ে উঠেছে।

সূত্র: ein

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *