বাবা-মা বিয়ের জন্য তাড়া দিচ্ছেন?

আজ অমুকের ছবি, কাল তমুকের ছবি নিয়ে আপনার বাবা-মা নিয়মিতই আপনার কাছে হাজির হচ্ছেন। উদ্দেশ্য একটাই, আপনাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে করানো। এখন কিছুতেই বিয়ে করতে রাজি নন আপনি। কিন্তু তাদেরকে বোঝাতেই পারছেন না বিষয়টা। মনে মনে আক্ষেপ, কেন এমন করছেন তারা?

কিছু কারণ আছে যেগুলোর জন্য বাবা-মা আপনার বিয়ে নিয়ে চিন্তিত। আপনাকে সব কারণ বলেন না তারা, নিজেদের মাঝেই গোপন রাখেন। তাই আপনিও বুঝতে পারেন না তাদের। জেনে নিন কারণগুলো।

আত্মীয় ও বন্ধুদের কাছে জবাব দিয়ে ক্লান্ত: আপনার মা-বাবার আত্মীয় ও বন্ধুরা প্রতিনিয়তই তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন ‘ছেলেকে/মেয়েকে বিয়ে দিচ্ছেন কবে?’ আপনার বিয়ে নিয়ে জবাবদিহি করতে করতে ইতিমধ্যেই তারা ক্লান্ত। আর তাই তারা চান, দ্রুত আপনাকে ভাল একজন মানুষের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান।

 

একাধিক সম্পর্কে অসন্তুষ্ট: আপনার একাধিক প্রেম দেখতে দেখতে বাবা-মা বিরক্ত। আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। একাধিক বার সম্পর্ক পরিবর্তনের কারণে নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত তারা। আর তাই আপনাকে তাড়াতাড়ি বিয়ে করাতে উদগ্রীব হয়ে আছেন তারা।

তাদের অবর্তমানে আপনার দেখাশোনার জন্য: আপনার অভিভাবক প্রায়ই ভাবেন, তাদের অবর্তমানে আপনার একাকীত্বের কথা। তাই তারা চান আপনি দ্রুত একজন জীবনসঙ্গী বেছে নেন। এতে তাদের অবর্তমানেও আপনার পাশে সঙ্গ দেয়ার মানুষ থাকবেন।

বাবা মায়ের অভিভাবকদের চাপ: আপনার বাবা মায়েরও অভিভাবক আছেন। আপনার দাদা-দাদী, নানা-নানীও চাইছেন যে আপনি দ্রুত বিয়ে করে ফেলেন। আর তাই তারা তাদের সন্তানদের অর্থাৎ আপনার বাবা-মা কে চাপ দিচ্ছেন নিয়মিত। আপনি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দেরী করায় আপনার বাবা-মাকে দোষারোপ করছেন তারা।

নাতি-নাতনির মুখ দেখার ইচ্ছা: শিশুরা ঘরের প্রাণ। সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে বাবা মায়ের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যায়। ফলে তাদের একাকীত্বও বেড়ে যায়। আর তাই বাবা-মায়েদের ইচ্ছে হয় নাতি-নাতনির মুখ দেখার। ঘরময় তাদের উচ্ছলতা দেখার ইচ্ছা থেকেই আপনাকে জলদি বিয়ের পিঁড়িতে বসাতে চান তারা।

তারা কম বয়সে বিয়ে করেছিলেন: আগে কম বয়সেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতো মানুষ। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। তিরিশ বছরের আগে বিয়েতে রাজি হন না অনেকেই। কিন্তু বিষয়টি অনেক অভিভাবকই মানতে পারেননা। তাদের কাছে মনে হয়, আপনার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এধরণের চাপ বেশি থাকে।

-ম্যাডামেনরি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *