চোখে শশা ব্যবহারের উপকারিতা

খাবারের সাথে সালাদে শশা, ডায়েট চার্টে শশা, রুপচর্চায় শশা। এই একটি খাবার কতো কিছুতে আমরা ব্যবহার করে থাকি। তাছাড়া ফেশিয়াল বা রূপচর্চার অংশ হিসেবে অনেকেই চোখের ওপর শশার টুকরো দিয়ে রাখেন। কিন্তু এই শসার টুকরো কিছুক্ষণ চোখের ওপর রেখে দিলে কী উপকার, তা কি জানেন? না জানলেও সমস্যা নেই।

শশায় অনেক দরকারি ভিটামিন ও খনিজ আছে। এতে থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, ভিটামিন বি৬, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান থাকে। এ ধরনের উপাদান শরীরের জন্য যেমন দরকারি, তেমনি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও কার্যকর।

চোখের যত্নে অন্যতম কার্যকর উপাদান হিসেবে মনে করা হয় শশাকে। শশায় থাকা প্রদাহনাশক উপাদান চোখের ফোলা ভাব দূর করতে পারে। এছাড়া এতে জলীয় অংশ বেশি থাকায় চোখের শুষ্ক ভাব দূর করে। চোখের ক্লান্তি দূর করতে এবং সতেজ ভাব আনতে সাহায্য করে শশা।

জেনে নিন চোখে শশা ব্যবহার করার পাঁচ উপকার সম্পর্কে:

১. শশা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। চোখের চারপাশের যে চামড়া থাকে, তা পুরো শরীরের মধ্যে সবচেয়ে পাতলা। চোখের চারপাশে শশা দিয়ে রাখলে এই ত্বক আর্দ্র হয়। এতে ত্বক কুচকে যাওয়া বা বলিরেখা দূর হয়।

২. শশায় আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সিলিকা, যা ত্বকের ডার্ক সাকেল বা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে। শশা ব্যবহারে এই কালো দাগ সাময়িক দূর হলেও এটি স্থায়ী সমাধান নয়। তবে চোখের চারপাশে কালো দাগ আস্তে আস্তে হালকা করে শশা। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতেও শশা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. শশার জুসে আছে ফাইটোকেমিক্যাল যা কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। কোলাজেন হচ্ছে আঁশের মতো একধরনের প্রোটিন, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতার জন্য দায়ী এবং এটি সেলুলাইট দূর করে।

৪. শশায় আছে অ্যাসকরবিক ও ক্যাফেইক অ্যাসিড, যা চোখের চারপাশে ফোলাভাব কমায়। শশা কেটে আগে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। এটি ব্যবহারে চোখ বিশ্রাম পাবে। মিলবে চোখের আর্দ্রতা।

৫. চোখের নিচে চামড়া ঝুলে পড়া ঠেকাতে সাহায্য করে শশা। শশার পেস্ট পানিয়ে তাতে মধু, ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে চোখের নিচে হালকা করে লাগিয়ে রাখতে হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। পরে ভেজা কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলতে হবে। এতে চোখ ফোলা ভাব কমবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *