,

গর্ভাবস্থার পেটের আকার নিয়ে চিন্তিত!

গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে যখনই কেউ তার গর্ভাবস্থার খবর জানতে পারে তখন থেকেই শুরু হয় নানা ধরনের উপদেশ। আশেপাশের সবাই হয়ে ওঠেন বিশেষজ্ঞ। সবাই গবেষণা শুরু করে মায়ের পেট নিয়ে। মায়ের পেট বড় নাকি ছোট তা নিয়ে শুরু হয় বিস্তর গবেষণা এবং নিজেদের সাথে তুলনা। এমনকি মা নিজেও এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন।

গর্ভবতীর পেট ছোট বা বড় দেখানোর কারণ
বাচ্চা ঠিকভাবে বেড়ে না ওঠার কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মায়ের পেট ছোট দেখাতে পারে এবং এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারের কথা শুনে চলাই উচিৎ। ঘরের মানুষ বা বন্ধুবান্ধবের কথা নয়।

যদিও প্রত্যেক মায়ের ক্ষেত্রে তার পেট কেন ছোট দেখায় সেটা বলা সম্ভব নয় তবে কিছু কিছু কারণে সব ঠিক থাকার পড়ও কারো কারো পেটের আকার ছোট বা বড় থাকতে পারে।

প্রথমবার গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে পেটের পেশী গুলো শক্ত এবং মজবুত থাকে। এই কারণে পেট খুব বেশী একটা সামনের দিকে বাড়েনা। পেটের পেশীগুলো জরায়ুকে ধরে রাখে এবং জরায়ু উপরের দিকে বাড়তে থাকে। এই কারণে পেট তেমন একটা বোঝা যায়না। একবার গর্ভবতী হওয়ার পড় যেহেতু পেটের পেশীগুলো প্রসারিত হয় তাই পরবর্তী গর্ভধারণে পেট বড় দেখাতে পারে। কিছু কিছু মায়েদের আবার দ্বিতীয় বা তৃতীয় গর্ভধারণেও পেট ছোট থাকতে পারে যদি তারা মধ্যবর্তী সময় খুব ফিট থাকে এবং নিয়মিত পেটের পেশীর ব্যায়াম করেন।

বাচ্চার অবস্থানের কারণেও পেট ছোট দেখাতে পারে। গর্ভে বাচ্চারা নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করে। বিশেষ করে ৩২-৩৪ সপ্তাহ পর্যন্ত। এর উপর ভিত্তি করে মায়ের পেট কোন সময় বড় লাগতে পারে আবার কোন সময় ছোট লাগতে পারে।

লম্বা মায়েদের, যাদের কোমর থেকে পাঁজরের নীচ পর্যন্ত জায়গা লম্বা হয় তাদের শরীরে জারায়ুর উপরের দিকে বাড়ার জন্য অনেক জায়গা থাকে। এসব লম্বা মায়েদের পেট খুব একটা বোঝা নাও যেতে পারে কারণ তাদের জরায়ু সামনের দিকে না বেড়ে উপরের দিকে বাড়তে থাকে। ঠিক একই ভাবে খাটো মায়েদের জরায়ু উপরের দিকে খুব একটা বাড়ার জায়গা পায়না। তাই তাদের ক্ষেত্রে জরায়ু বাইরের দিকে বাড়তে থাকে এবং তাদের পেট আকারে বড় মনে হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন


     এই ধরনের আরো...