এশিয়া কাপের রেকর্ড কর্ণার

১৯৮৪ সালে রথম্যান্স এশিয়া কাপ নামে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম আসরে পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। ওয়ানডে ফরমেটের ওই টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে ভারত। তবে ওই টুর্নামেন্টে কোনও ফাইনাল হয়নি।

এরপর দ্বিতীয় আসরে নাম পরিবর্তন করে হয় জন প্লেয়ার গ্লোডলিফ ট্রফি। তৃতীয় আসরে আবার নাম পরিবর্তন করে করা হয় উইলস এশিয়া কাপ। চতুর্থ আসরে এশিয়া কাপ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ আসরে পেপসি এশিয়া কাপ নামে টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সপ্তম আসরে আবার নাম হয়ে যায় শুধু এশিয়া কাপ। এরপর থেকে অদ্যবধি এশিয়া কাপ নামেই আয়োজন করা হচ্ছে এই টুর্নামেন্টটি। দেখতে দেখতে টুর্নামেন্টটির ১৪তম আসর শুরু হতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হবে এশিয়া কাপের ১৪তম আসরের।

দ্বিতীয় আসর থেকেই প্রতিটিতে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ। এ ১২টি আসরের মধ্যে দু’বার ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। দু’বারই স্বাগতিক হিসেবে ফাইনাল খেলে। কিন্তু ২০১২ সালে ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে এবং ২০১৬ সালে ভারতের কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্নভঙ হয় টাইগারদের।

এশিয়া কাপে সবচেয়ে বেশি (৫বার) স্বাগতিক হওয়ার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপরই রয়েছে শ্রীলংকা (৪বার), তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরব আমিরাত (৩বার), আর ভারত ও পাকিস্তান একবার করে। এবারের আসরটি যদিও ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকায় এটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আরব আমিরাতে।

এবারের আসরটির আগ পর্যন্ত অনেক রেকর্ড গড়া হয়েছে। আবার অনেক রেকর্ড ভেঙেছে প্রতিপক্ষের বোলার ও ব্যাটসম্যানরা। আসুন দেখে নেয়া যাক ১৪তম আসরের আগ পর্যন্ত হওয়া রেকর্ডগুলো।

সর্বাধিক শিরোপা ভারত ৬ বার
দ্বিতীয় সর্বাধিক শিরোপা শ্রীলংকা ৫ বার
তৃতীয় সর্বাধিক শিরোপা পাকিস্তান ২ বার
ব্যক্তিগত সর্বাধিক রান বিরাট কোহলি (ভারত) ১৮৩ রান (পাকিস্তান-২০১২)
টুর্নামেন্টের সর্বমোট রান সানাথ জয়াসুরিয়া (শ্রীলংকা) ৩৭৮ রান (২০০৮)
টুর্নামেন্টের সর্বাধিক অ্যাভারেজ মহেন্দ্র সিং ধোনী (ভারত) ৯৫.১৬ (২০০৮-২০১২)
সর্বাধিক ডাক সালমান বাট (পাকিস্তান)আমিনুল ইসলাম বুলবুল (বাংলাদেশ)মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলংকা) ৩ বার (২০০৮-২০১০)৩ বার (১৯৮৮-২০০০)৩ বার (২০০০-২০১৪)
সর্বাধিক শতরান সানাথ জয়াসুরিয়া (শ্রীলংকা) ৬টি (১৯৯০-২০০৮)
সর্বাধিক অর্ধশত রান কুমারা সাঙ্গাকারা (শ্রীলংকা) ১২টি (২০০৪-২০১৪)
সর্বাধিক স্ট্রাইক রেট শহীদ আফ্রিদি (পাকিস্তান) ১৪০.৭৪ (১৯৯৭-২০১৪)
সর্বাধিক পার্টনারশিপ রেকর্ড মোহাম্মদ হাফিজ ও নাসির জামশেদ (পাকিস্তান) ২২৪রান (ভারত-২০১২)
সেরা বোলিং অজন্তা মেন্ডিস (শ্রীলংকা) ৬/১৩ (ভারত-২০০৮)
টুর্নামেন্টের সর্বাধিক উইকেট অজন্তা মেন্ডিস (শ্রীলংকা) ১৭টি (২০০৮)
এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলংকা) ৩বার (২০০৪-২০১৪)
উইকেট কিপার হিসেবে বেশি ক্যাচ কুমারা সাঙ্গাকারা (শ্রীলংকা) ৩৬টি (২৭টি ক্যাচ, ৯টি স্ট্যাম্পড)
ফিল্ডার হিসেবে বেশি ক্যাচ মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলংকা) ১৫টি (২০০০-২০১৪)
সর্বাধিক দলীয় রান পাকিস্তান (বাংলাদেশ) ৩৮৫/৭ (২০১০)
সর্বনিম্ন দলীয় রান বাংলাদেশ (পাকিস্তান) ৮৭/১০ (২০০০)
বেশি ম্যাচ মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলংকা) ২৯টি (২০০০-২০১৪)
অধিনায়ক হিসেবে বেশি ম্যাচ মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)অর্জুনা রানাতুঙ্গা (শ্রীলংকা) ১৩টি (২০০৮-২০১২)১৩টি (১৯৮৮-১৯৯৭)
সর্বাধিক বেশি ম্যাচ পরিচালনা বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ১৪টি (২০০৪-২০১৪)
সর্বাধিক রানের মালিক সানাথ জয়াসুরিয়া (শ্রীলংকা) ১২২০ রান (১৯৯০-২০০৮)
সর্বাধিক উইকেটের মালিক মুত্তিয়া মুরালিধরণ (শ্রীলংকা) ৩০টি (১৯৯৫-২০১০)

সুত্রঃ আরটিভি অনলাইন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments

comments