এই বরষায় ডাকছি তোমার নামটি ধরে।

বরষার প্রথম দিনে এখনো বৃষ্টি নামেনি এই শহরে,
কালো মেঘের আনাগোনায় মন খারাপ আমি ঘুরে বেড়াই,
বাদল ঘন শ্রাবণে ঝাপসা হয়ে ওঠা শহর
হয়ত আচম্বিতে ঝরঝরিয়ে ঝরাবে প্রপাত!
ইচ্ছে গুলো আজ কারণে অকারণে উড়ে যায় নির্জন কোন অরণ্যে
বুকের জমিনে জমানো আবেগ গুলো নিয়ে রিমঝিম সুরে
বেশুমার বৃষ্টিতে ভিজে যাবো একাই।

একান্ত ভাবনায় আবেগ প্রবণ আমি
কাঙ্ক্ষিত মুখটি তীব্র থেকে তীব্রতরই হয়!
তোমার ওখানে কি এখন বৃষ্টি হচ্ছে খুব? শ্রাবনের বৃষ্টি!
সহজে থামবার নয়—জানালাটা খোলা কি শোবার ঘরের?
হয়ত তুমি গভীর মগ্ন খসড়া পাতার সাজে;
মনে কি পড়ে, বৃষ্টি ভেজা স্মৃতিময় সেই রাতে–কিছু বলতে গিয়েও চোখ বুজলে,
আর আমি ছিলাম আহা! আলিঙ্গনে শিউরে ওঠা শিহরিত,
নিরমিলিত চোখ, দেহজুড়ে অবসাদ, বৃষ্টিভেজা গোলাপ যেন!

বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করি,
অপেক্ষায় তোমার আজ বৃষ্টি হয়েছে ঝিরিঝিরি….
ভিজে যায় পথঘাট, আলোকিত শহর, কিন্তু তুমি আর আমি ভিজতে পারি কই!!
শ্রাবণ ধারার বর্ষণে একাকার হয়েছে দুচোখ
বুকের ভেতর মেঘ গুড়গুড়
দামাল হাওয়া শান্ত হচ্ছে না যে,
ভিজে যাচ্ছে, ভেঙ্গে যাই, ভাসছি বিলাপে হায়!
ঝরছি আমি ব্যথার তুমুল বরিষণে।

এই শ্রাবণ ধারায় ডুবতে চাই, ভাসতে চাই ভাঙতে চাই,
কি আশ্চর্য তুমি!
চুপ করে আছ প্রচন্ড খরা ধারন করে।
ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে আকাশের দিকে মুখ করে ভাবনার গভীরে ডুবে
ডাকছি তোমার নামটি ধরে
শুনতে কি পাও? আমার সকরুণ সুর !

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *